জিমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা নয়! ২১ দিনে ওজন ঝরিয়ে নজির, আর মাধবনের ফিটনেস ফর্মুলা ঘিরে চর্চা মুম্বই | বিনোদন ডেস্ক |

জিমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা নয়! ২১ দিনে ওজন ঝরিয়ে নজির, আর মাধবনের ফিটনেস ফর্মুলা ঘিরে চর্চা মুম্বই | বিনোদন ডেস্ক |

admin
2 Min Read

২৬ জুন ২০২৬ :- বলিউড অভিনেতা আর মাধবন বরাবরই অভিনয়ের জন্য নিজেকে চরিত্রের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পরিচিত। ‘রকেট্রি: দ্য নাম্বি এফেক্ট’ ছবিতে বিজ্ঞানী নাম্বি নারায়ণনের চরিত্রে অভিনয়ের জন্য তাঁকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ওজন বাড়াতে হয়েছিল। তবে ছবির কাজ শেষ হওয়ার পর মাত্র তিন সপ্তাহে সেই অতিরিক্ত ওজন কমিয়ে আবার আগের ফিট চেহারায় ফিরে আসেন অভিনেতা। আর সেই রূপান্তর নিয়েই এখন নেটমাধ্যমে তুমুল আলোচনা।

সবচেয়ে বড় বিষয়, মাধবন দাবি করেছেন যে এই পরিবর্তনের জন্য তিনি কোনও কঠোর জিম প্রশিক্ষণ, বিশেষ ওষুধ বা কৃত্রিম সাপ্লিমেন্টের ওপর নির্ভর করেননি। বরং দৈনন্দিন জীবনের কিছু নিয়ম মেনে চলেই তিনি এই সাফল্য পেয়েছেন।

অভিনেতার মতে, ওজন নিয়ন্ত্রণের প্রথম ধাপ হল সচেতনভাবে খাওয়া। তিনি খাবার দ্রুত গিলে না ফেলে দীর্ঘ সময় ধরে চিবিয়ে খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলেছিলেন। এর ফলে কম খাবারেই পেট ভরে যায় এবং অতিরিক্ত ক্যালোরি গ্রহণের প্রবণতা কমে।

এছাড়া দিনের একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই সমস্ত খাবার খাওয়ার চেষ্টা করতেন তিনি। রাতের খাবারও তুলনামূলকভাবে অনেক আগেই সেরে ফেলতেন, যাতে শরীর খাবার হজমের জন্য পর্যাপ্ত সময় পায়।

মাধবনের ফিটনেস যাত্রায় নিয়মিত হাঁটারও বড় ভূমিকা ছিল। প্রতিদিন সকালে দীর্ঘক্ষণ হাঁটা তাঁর দৈনন্দিন রুটিনের অংশ ছিল। পাশাপাশি পর্যাপ্ত ঘুমকে তিনি অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েছেন। তাঁর মতে, শরীরকে বিশ্রাম না দিলে ওজন কমানো কঠিন হয়ে পড়ে।

ঘুমানোর আগে মোবাইল বা টেলিভিশন ব্যবহার কমানো, প্রচুর জল পান করা এবং খাদ্যতালিকায় সবুজ শাকসবজি রাখার মতো অভ্যাসও অনুসরণ করতেন অভিনেতা।

খাদ্যাভ্যাসের ক্ষেত্রে তিনি যতটা সম্ভব প্রাকৃতিক ও ঘরোয়া খাবার খাওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন। প্যাকেটজাত, অতিরিক্ত তেল-মশলাযুক্ত বা প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলাই ছিল তাঁর অন্যতম নীতি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ওজন কমানোর ক্ষেত্রে একেক জনের শরীরের প্রতিক্রিয়া একেক রকম হয়। তাই অন্যের ডায়েট অন্ধভাবে অনুসরণ না করে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিয়ে ব্যক্তিগত পরিকল্পনা তৈরি করাই সবচেয়ে কার্যকর পন্থা।

আর মাধবনের এই অভিজ্ঞতা আরও একবার প্রমাণ করেছে, নিয়মিত ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন অনেক সময় কঠোর শরীরচর্চার বিকল্প হয়ে উঠতে পারে।

Share This Article
Leave a Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *