*স্পোর্টস ডেস্ক:* বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই শক্তিশালী বার্তা দিল ইংল্যান্ড। ক্রোয়েশিয়ার বিরুদ্ধে ছয় গোলের রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে ৪-২ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে টুর্নামেন্টে দারুণ সূচনা করল থ্রি লায়ন্সরা। দলের জয়ে বড় ভূমিকা নিলেন অধিনায়ক হ্যারি কেন, যিনি একাই করেন দুটি গোল।
ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলের মধ্যে আক্রমণাত্মক ফুটবল দেখা যায়। অষ্টম মিনিটেই পেনাল্টি পায় ইংল্যান্ড। প্রথম চেষ্টায় গোলরক্ষক শট রুখে দিলেও নিয়মভঙ্গের কারণে পুনরায় পেনাল্টি নিতে হয়। দ্বিতীয় সুযোগে আর ভুল করেননি কেন। সেখান থেকেই এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড।
তবে পিছিয়ে পড়েও লড়াই ছাড়েনি ক্রোয়েশিয়া। মার্তিন বাতুরিনার দুরন্ত গোল ম্যাচে সমতা ফেরায়। কিন্তু বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি ইংল্যান্ডকে। কর্নার থেকে হ্যারি কেনের হেডে আবারও এগিয়ে যায় তারা।
প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই ইভান পেরিসিচের তৈরি করা সুযোগ কাজে লাগিয়ে পেতার মুসা গোল করে ক্রোয়েশিয়াকে ম্যাচে ফিরিয়ে আনেন। ফলে বিরতিতে দুই দলই ছিল সমানতালে লড়াইয়ে।
দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে তুলে নেয় ইংল্যান্ড। বিরতির পরপরই জুড বেলিংহ্যাম গোল করে ব্যবধান বাড়ান। এরপর বদলি হিসেবে মাঠে নেমে মার্কাস রাশফোর্ডও স্কোরশিটে নাম তোলেন। শেষ পর্যন্ত ৪-২ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে ইংল্যান্ড।
এই ম্যাচে ইংল্যান্ডের আক্রমণভাগ যেমন উজ্জ্বল ছিল, তেমনই হতাশ করেছেন ক্রোয়েশিয়ার অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার লুকা মদ্রিচ। দলের আক্রমণ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তাঁর স্বাভাবিক প্রভাব দেখা যায়নি। ৪০ বছর বয়সী এই তারকা পুরো ম্যাচে নিজস্ব ছন্দ খুঁজে পাননি।
একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চে ক্রোয়েশিয়ার কাছে হারের তিক্ত স্মৃতি ছিল ইংল্যান্ডের। সেই প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে এবার দাপুটে জয় তুলে নিয়ে আত্মবিশ্বাসী সূচনা করল তারা। অন্যদিকে প্রথম ম্যাচেই হার মেনে পরের লড়াইয়ের আগে নিজেদের ঘাটতি খুঁজে বের করতে হবে ক্রোয়েশিয়াকে।