*চন্দ্রযান-৩-এর সাফল্যে নিউ জিল্যান্ডের প্রযুক্তিরও অবদান, অকল্যান্ডে প্রবাসীদের অনুষ্ঠানে জানালেন প্রধানমন্ত্রী মোদি*

*চন্দ্রযান-৩-এর সাফল্যে নিউ জিল্যান্ডের প্রযুক্তিরও অবদান, অকল্যান্ডে প্রবাসীদের অনুষ্ঠানে জানালেন প্রধানমন্ত্রী মোদি*

2 Min Read

*ভারত-নিউ জিল্যান্ড মহাকাশ সহযোগিতা আরও জোরদারের ইঙ্গিত; আগামী দশকে ভারতের মহাকাশ অর্থনীতি বহুগুণ বৃদ্ধির আশা*

অকল্যান্ডে ভারতীয় প্রবাসীদের এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানিয়েছেন, ভারতের ঐতিহাসিক চন্দ্রযান-৩ অভিযানের সাফল্যের পেছনে নিউ জিল্যান্ডের মহাকাশ প্রযুক্তি খাতও গুরুত্বপূর্ণ সহযোগিতা করেছে। তিনি বলেন, দুই দেশের প্রযুক্তিগত অংশীদারিত্ব ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত হবে এবং মহাকাশ গবেষণায় এই সহযোগিতা নতুন মাত্রা পাবে।

প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করিয়ে দেন, ২০২৩ সালের ২৩ আগস্ট চন্দ্রযান-৩ সফলভাবে চাঁদের দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে অবতরণ করার পর শুধু ভারতেই নয়, নিউ জিল্যান্ডেও ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা গিয়েছিল। সেই সাফল্যের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এটি কেবল ভারতের অর্জন নয়, বন্ধুত্বপূর্ণ দেশগুলোর প্রযুক্তিগত সহযোগিতারও প্রতিফলন।

মোদি জানান, নিউ জিল্যান্ডের একটি মহাকাশ প্রযুক্তি সংস্থা অতীতেও ভারতের একাধিক মহাকাশ প্রকল্পে সহযোগিতা করেছে। বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে এই ক্ষেত্রের যৌথ কাজ আরও সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তাঁর মতে, মহাকাশ প্রযুক্তি এমন একটি ক্ষেত্র, যেখানে ভারত ও নিউ জিল্যান্ড পরস্পরের সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

তিনি আরও বলেন, গত কয়েক বছরে ভারতের মহাকাশ খাতে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থার অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, নতুন নীতিগত সংস্কার এবং উদ্ভাবনী প্রযুক্তির বিকাশের ফলে ভারতের মহাকাশ শিল্প দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। বর্তমানে প্রায় ৮ থেকে ৯ বিলিয়ন ডলারের এই খাত আগামী এক দশকে ৪০ থেকে ৪৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে বলে আশাবাদ প্রকাশ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, চন্দ্রযান-৩-এর সাফল্য এবং গগনযান মানব মহাকাশ মিশনের প্রস্তুতি আন্তর্জাতিক মহাকাশ গবেষণায় ভারতের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে। একই সঙ্গে কৃষি, অবকাঠামো উন্নয়ন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, যোগাযোগ ও জনসেবায় মহাকাশ প্রযুক্তির ব্যবহারও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতের মহাকাশ কর্মসূচিতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং বেসরকারি সংস্থার অংশগ্রহণ বাড়তে থাকলে আগামী দিনে দেশটি বৈশ্বিক মহাকাশ অর্থনীতিতে আরও গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান দখল করতে সক্ষম হবে।

Share This Article
Leave a Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *