টানা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত পাহাড়ি যোগাযোগ, সিকিমের একাধিক রাস্তা বন্ধ, পর্যটকদের সতর্কবার্তা

টানা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত পাহাড়ি যোগাযোগ, সিকিমের একাধিক রাস্তা বন্ধ, পর্যটকদের সতর্কবার্তা

admin
2 Min Read

*উত্তরবঙ্গ ডেস্ক:* বর্ষার শুরুতেই ভারী বৃষ্টিপাত এবং ভূমিধসের জেরে সিকিম ও উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি এলাকায় স্বাভাবিক জনজীবন ব্যাহত হতে শুরু করেছে। সিকিমের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ভ্রমণ পরিকল্পনা নিয়ে উদ্বেগে পড়েছেন পর্যটকরা। একইসঙ্গে দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলায় বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে প্রশাসন।

সাম্প্রতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনায় দেখা যাচ্ছে, সিকিমের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগকারী রাস্তায় মেরামতির কাজ চলছে অথবা ধসের কারণে যান চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। এর ফলে কিছু অঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা আংশিকভাবে ব্যাহত হয়েছে।

প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, সিংতাম-দিকচু সড়কে সংস্কারকাজ চলায় নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত যানবাহন চলাচলে বিধিনিষেধ জারি থাকবে। এছাড়াও মাঙ্গান, চুংথাং, রাভাংলা, ইয়াঙ্গাং এবং গ্যালশিং জেলার কয়েকটি অংশে ধসের কারণে সড়ক যোগাযোগ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

তবে পর্যটকদের জন্য স্বস্তির বিষয় হল, উত্তর সিকিমের বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্যের রুট এখনও সচল রয়েছে। লাচেন, লাচুং, ইয়ুমথাং এবং জিরো পয়েন্টমুখী বেশ কিছু সড়কে যান চলাচল অব্যাহত রয়েছে। যদিও আবহাওয়ার দ্রুত পরিবর্তনের কারণে পরিস্থিতি যে কোনও সময় বদলে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছেন প্রশাসনিক আধিকারিকরা।

এদিকে দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলার পাহাড়ি এলাকায়ও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকায় পর্যটকদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ভ্রমণের আগে রাস্তার বর্তমান অবস্থা জেনে নেওয়া, আবহাওয়ার আপডেট অনুসরণ করা এবং স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশিকা মেনে চলার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গ পর্যটন দফতর জানিয়েছে, পর্যটকদের নিরাপত্তার স্বার্থে পরিস্থিতির উপর সার্বক্ষণিক নজর রাখা হচ্ছে। জরুরি তথ্য বা সহায়তার প্রয়োজনে পর্যটকদের জন্য বিশেষ হেল্পলাইন পরিষেবাও চালু রাখা হয়েছে।

প্রশাসনের বক্তব্য, পাহাড়ি অঞ্চলে বর্ষাকালে ভূমিধস ও রাস্তা অবরুদ্ধ হওয়ার ঘটনা নতুন নয়। তাই অপ্রয়োজনীয় ঝুঁকি না নিয়ে ভ্রমণের আগে সংশ্লিষ্ট এলাকার সর্বশেষ পরিস্থিতি যাচাই করেই যাত্রা শুরু করা উচিত। আগামী কয়েকদিন আবহাওয়ার পরিস্থিতির উপর নির্ভর করেই রাস্তা চালু বা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

Share This Article
Leave a Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *