*বেঙ্গালুরুতে কংগ্রেসের সভার জেরে ট্র্যাফিক জ্যাম! NEET পুনঃপরীক্ষা দিতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়ল পড়ুয়ারা, শুরু রাজনৈতিক তরজা*

*বেঙ্গালুরুতে কংগ্রেসের সভার জেরে ট্র্যাফিক জ্যাম! NEET পুনঃপরীক্ষা দিতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়ল পড়ুয়ারা, শুরু রাজনৈতিক তরজা*

admin
2 Min Read

NEET-UG পুনঃপরীক্ষাকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে কর্ণাটকে। অভিযোগ, বেঙ্গালুরুতে কংগ্রেসের একটি বড় সমাবেশের কারণে তৈরি হওয়া তীব্র যানজটের জেরে অন্তত তিনজন পরীক্ষার্থী নির্ধারিত সময়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছতে পারেননি। ফলে জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন তাঁরা।

দেশজুড়ে প্রায় ২২ লক্ষ পরীক্ষার্থী রবিবার NEET-UG পুনঃপরীক্ষায় অংশ নেন। প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে আগের পরীক্ষা বাতিল হওয়ার পর এই পুনঃপরীক্ষার আয়োজন করা হয়। পরীক্ষার্থীদের দুপুর দেড়টার মধ্যে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে বলা হলেও, বেঙ্গালুরুর বিভিন্ন রাস্তায় তীব্র যানজটের কারণে বহু পরীক্ষার্থী সমস্যায় পড়েন।

অভিভাবকদের অভিযোগ, শহরে কংগ্রেসের একটি রাজনৈতিক কর্মসূচির জেরেই এই যানজটের সৃষ্টি হয়। তাঁদের দাবি, সাধারণত ২০ মিনিটের পথ অতিক্রম করতে সেদিন ৩৫ থেকে ৪০ মিনিটেরও বেশি সময় লেগেছে। অনেক অভিভাবক বাধ্য হয়ে ফুটপাত দিয়ে মোটরবাইক চালিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছানোর চেষ্টা করেন।

কিন্তু শেষ পর্যন্ত কয়েকজন পরীক্ষার্থী নির্ধারিত সময়ের পরে কেন্দ্রে পৌঁছনোর কারণে তাঁদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। হতাশ পড়ুয়াদের কেউ কেউ পরীক্ষাকেন্দ্রের গেট টপকে ঢোকারও চেষ্টা করেন বলে জানা গিয়েছে।

ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোর। বিজেপির অভিযোগ, ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যতের চেয়ে রাজনৈতিক কর্মসূচিকেই বেশি গুরুত্ব দিয়েছে কংগ্রেস। বিজেপি সাংসদ তেজস্বী সূর্য এই ঘটনাকে সামনে এনে কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করেন।

অন্যদিকে, কর্ণাটকের মন্ত্রী প্রিয়াঙ্ক খাড়গে পাল্টা দাবি করেছেন, বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতেও বহু পরীক্ষার্থী বিভিন্ন কারণে পরীক্ষা মিস করেছেন। তাঁর বক্তব্য, পরীক্ষার্থীদের সুবিধার জন্য আগেই ট্র্যাফিক অ্যাডভাইজরি এবং হেল্পলাইন চালু করা হয়েছিল।

এদিকে, কংগ্রেস নেতা বি কে হরিপ্রসাদ পরীক্ষার্থীদের অসুবিধার জন্য দুঃখপ্রকাশ করলেও বিজেপির বিরুদ্ধে পাল্টা আক্রমণ শানিয়েছেন। অন্যদিকে, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এইচ ডি কুমারস্বামী গোটা ঘটনাকে “লজ্জাজনক” বলে মন্তব্য করেছেন।

ঘটনাকে ঘিরে কর্ণাটকের রাজনৈতিক মহলে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। পরীক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন তুলে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও উঠতে শুরু করেছে।

Share This Article
Leave a Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *