আগরতলা, ত্রিপুরা শনিবার ঃ অশান্ত বাংলাদেশের পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা। বৃহস্পতিবার রাতে ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা এলাকায় এক হিন্দু যুবক নৃশংস হামলার শিকার হন বলে অভিযোগ। নিহতের নাম দিপু চন্দ্র দাস। অভিযোগ অনুযায়ী, ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে একদল দুষ্কৃতী তাঁকে পিটিয়ে হত্যা করে। শুধু তাই নয়, হত্যার পর দেহ গাছে বেঁধে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এই ঘটনাটি বাংলাদেশ ছাড়াও আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে।
এই ঘটনার প্রতিবাদে শনিবার সনাতনী হিন্দু সেনার উদ্যোগে রাজধানী আগরতলায় সার্কিট হাউস সংলগ্ন এলাকায় বিক্ষোভ কর্মসূচি সংগঠিত হয়। পরে বিক্ষোভকারীরা বাংলাদেশ সরকারি হাইকমিশনারের কার্যালয় ঘেরাও করে প্রতিবাদ জানায়। সনাতনী হিন্দু সেনার দাবি, বাংলাদেশে ক্রমান্বয়ে সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর নানা কায়দায় আক্রমণ বাড়ছে এবং সংগঠিতভাবে সনাতনীদের টার্গেট করা হচ্ছে।
বিক্ষোভ মঞ্চ থেকে বক্তারা বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং দিপু চন্দ্র দাস হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানান। তাঁদের বক্তব্য, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক মহলের হস্তক্ষেপ জরুরি। একই সঙ্গে সংগঠনের পক্ষ থেকে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়—বাংলাদেশে যদি হিন্দুদের উপর আক্রমণ অব্যাহত থাকে, তবে তার প্রতিবাদে রাজ্যেও বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটা হবে।
এই কর্মসূচিকে ঘিরে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে আগরতলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পুলিশ প্রশাসনের ব্যাপক তৎপরতা লক্ষ্য করা যায়। পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
Leave a comment