২০২৫ সালের করুর পদপিষ্ট-কাণ্ড নিয়ে ফের তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে তামিলনাড়ুতে। করুর সফরে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জোসেফ বিজয় দাবি করেছেন, ওই ঘটনার জন্য তাঁকে অন্যায়ভাবে দায়ী করা হয়েছে। পুলিশের উপর ভরসা করেই তিনি সভাস্থলে প্রবেশ করেছিলেন বলে জানান তিনি।
বিজয় বলেন, করুর পদপিষ্টের ঘটনাটি তাঁর জীবনের সবচেয়ে বেদনাদায়ক স্মৃতিগুলির একটি। পুলিশ চাইলে আগে থেকেই সভা বাতিল করতে পারত বা তাঁকে প্রবেশ করতে বাধা দিতে পারত। কিন্তু তা না করে তাঁকে সভাস্থলে নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরে ঘটনার সমস্ত দায় তাঁর উপর চাপিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এদিন তিনি তৎকালীন ক্ষমতাসীন ডিএমকের বিরুদ্ধেও সরব হন। বিজয়ের দাবি, ঘটনার পর যখন তিনি গভীর শোকাহত ছিলেন, তখন রাজনৈতিকভাবে তাঁকে আক্রমণ করা হয়। তাঁর অভিযোগ, পদপিষ্টের ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল এবং যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, নিরীহ মানুষের মৃত্যু কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া উচিত এবং প্রকৃত দায়ীদের চিহ্নিত করতে হবে।
এদিকে, পদপিষ্টে নিহত ৪১ জনের পরিবারের সদস্যদের সরকারি চাকরি দেওয়ার রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্ত নিয়েও আইনি বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিরোধী ডিএমকের দাবি, এই সিদ্ধান্ত তদন্তে প্রভাব ফেলতে পারে। তবে সুপ্রিম কোর্ট এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে অস্বীকার করেছে। পরে মাদ্রাজ হাই কোর্টও আপাতত নিয়োগপত্র দেওয়ার অনুমতি দিলেও জানিয়েছে, মামলার চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত ওই নিয়োগ অস্থায়ী হিসেবেই গণ্য হবে।