আগরতলা শহরে উন্নয়নের নামে এখন কার্যত নেমে এসেছে দুর্ভোগের চাদর। শহরের প্রায় প্রতিটি রাস্তায় চলছে ড্রেন নির্মাণের কাজ, কিন্তু সেই কাজ যতটা উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে, তার চেয়ে বেশি তৈরি করছে নিত্যদিনের ভোগান্তি।
📍 *কৃষ্ণনগর ঠাকুরপল্লী রোডে আজকের চিত্রই তার প্রমাণ।*
রাস্তায় খোঁড়াখুঁড়ি ও ড্রেনের মাটি ফেলে রাখায় মাঝরাস্তায় আটকে যায় একাধিক স্কুল বাস। গরমে ও ধুলোয় কষ্ট পেতে হয় ছোট ছোট ছাত্রছাত্রীদের। অভিযোগ, কোনও সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড ছাড়াই চলছে ড্রেনের কাজ।
একই দৃশ্য দেখা যাচ্ছে শহরের *আশ্রম চৌমুনি, বনমালিপুর, রাধানগর, পুরানো মোটর স্ট্যান্ড, ভাটি অভয়নগর* সহ বিভিন্ন এলাকায়। সকাল-সন্ধ্যা অফিসযাত্রী থেকে শুরু করে দোকানদার, সবাই এখন যানজট, ভাঙা রাস্তা ও ধুলোবালির চাপে নাজেহাল।
🚦 *ট্রাফিক ব্যবস্থাও ভেঙে পড়েছে।*
অনেক চৌমুহনীতে ট্রাফিক সিগন্যাল লাইট কাজ করছে না, নেই যথেষ্ট ট্রাফিক পুলিশ। স্থানীয়দের অভিযোগ— বেশিরভাগ পুলিশ সদস্যই এখন ভিআইপি দায়িত্বে, ফলে সাধারণ নাগরিকদের দুর্ভোগের দিকে নজর পড়ছে না।
নাগরিকদের আক্ষেপ—
> “উন্নয়নের নামে শুধু খোঁড়াখুঁড়ি আর ধুলোবালি। কাজ শুরু হয়, কিন্তু শেষ হয় না। পরিকল্পনা বলে কিছুই নেই।”
প্রশ্ন উঠছে— আগরতলার উন্নয়ন প্রকল্প কতটা বাস্তবমুখী? যদি নাগরিক স্বাচ্ছন্দ্যের বদলে দুর্ভোগই হয় উন্নয়নের ফলাফল, তবে সেই উন্নয়নের মানেই বা কী?
📰 *#Agartala #Tripura #DrainageWork #UrbanChaos #CitizenVoice*