তেলিয়ামুড়ার রাজনগর অঞ্চলে ২৪ ঘন্টার ব্যবধানে দুটি চাঞ্চল্যকর ঘটনার জেরে পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে। একদিকে টমটম চালকের গাড়ি থেকে মূল্যবান যন্ত্রাংশ চুরি, অন্যদিকে চুরি মামলায় ধৃত যুবকের থানার হেফাজত থেকে পালানো—দুটি ঘটনাই নিরাপত্তা ব্যাবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।
টমটম থেকে যন্ত্রাংশ উধাও
রবিবার গভীর রাতে প্রীতম দাস নামে এক টমটম চালকের গাড়িটি বাড়ির সামনে রাখা ছিল। সকালে উঠে তিনি দেখেন টমটমের গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ চুরি হয়েছে। স্থানীয়দের সন্দেহ—একটি সংঘবদ্ধ চক্র রাতের অন্ধকারে এই চুরিতে জড়িত।
প্রীতম দাসের বক্তব্য, “রোজগারের একমাত্র সম্বল এই টমটম। এখন কীভাবে সংসার চলবে বুঝতে পারছি না।”
ধৃত যুবকের থানার হেফাজত থেকে পালানো
অন্যদিকে, বৈদ্যুতিক গ্রিফ চুরির অভিযোগে ধৃত বিশালগড়ের যুবক পরিতোষ দেবনাথ রবিবার সকালেই তেলিয়ামুড়া থানার হেফাজত থেকে পালিয়ে যায়। সেসময় থানায় সেন্ট্রি দায়িত্বে ছিলেন এস.পি.ও সুনিতা রুদ্র পাল ও পিন্টু সরকার। ঘটনার পর পুলিশের গাফিলতি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
স্থানীয়দের ক্ষোভ
স্থানীয়দের বক্তব্য—
“একদিকে শহরে চুরি বাড়ছে, অন্যদিকে ধৃত আসামি থানার ভেতর থেকেই পালিয়ে যাচ্ছে! সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়?”
সচেতন সমাজের দাবি
সচেতন নাগরিকদের মতে, দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত হওয়া জরুরি। পাশাপাশি শহরের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যাবস্থা জোরদার করার দাবি তুলেছেন তারা।