এডিসি নির্বাচনের দিনক্ষণ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা হয়নি। তবে তার আগেই গোটা রাজ্যে দলবদল, যোগদান, রাজনৈতিক জোট–সমীকরণ নিয়ে তীব্র আলোড়ন

এডিসি নির্বাচনের দিনক্ষণ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা হয়নি। তবে তার আগেই গোটা রাজ্যে দলবদল, যোগদান, রাজনৈতিক জোট–সমীকরণ নিয়ে তীব্র আলোড়ন

রাজ্যের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলি নিজেদের শক্তি বাড়াতে এখনই পূর্ণমাত্রায় প্রচার, সংগঠন বিস্তার এবং কৌশল বদলের পথে হাঁটছে।

এই প্রেক্ষাপটে মঙ্গলবার আগরতলায় TIPRA Motha দলের পক্ষ থেকে একটি যোগদান সভার আয়োজন করা হয়। মথা সূত্রে দাবি—বিজেপি ছেড়ে মোট *২১ জন নেতৃত্ব* আনুষ্ঠানিকভাবে মথাদলে যোগ দেন। তাঁদের সঙ্গে পরিবারের আরও *৮৪ জন ভোটার*ও এই সভায় TIPRA Motha–তে যোগ দেন। দলীয় নেতৃত্ব জানিয়েছে, এডিসি নির্বাচনের আগে এই যোগদান তাঁদের সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করবে।

দিনের এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন এডিসির মুখ্য কার্যনির্বাহী সদস্য *পূর্ণচন্দ্র জমাতিয়া, মথা এমডিসি **হংস কুমার ত্রিপুরা*, সহ একাধিক জেলা–স্তরের নেতৃত্ব।

রাজনৈতিক মহলে এখন বড় প্রশ্ন—বিজেপি ও TIPRA Motha–র ভবিষ্যৎ জোট–সমীকরণ কোন পথে যাচ্ছে? কারণ, যদিও দু’দল সরকারে শরিক, তবুও সাম্প্রতিক সময়ে দুই দলের নেতৃত্ব বহু ইস্যুতে পরস্পরবিরোধী মন্তব্য করে চলেছে।

আজ সকালেই বিজেপি নেতা *বিপিন দেববর্মা* বলেন—আগামী জানুয়ারি থেকে বিজেপি নতুন করে জোট সমীকরণ নিয়ে ভাবনা–চিন্তা শুরু করবে। তাঁর বক্তব্যে রাজনৈতিক অন্দরে নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে।

আর এই মন্তব্যেরই পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় TIPRA Motha এমডিসি *হংস কুমার ত্রিপুরা* বলেন,
“মথাকে বাদ দিয়ে ত্রিপুরায় কোনও সরকার গঠন করা সম্ভব নয়। ২৩-এর বিধানসভা নির্বাচনে ভোট বিভাজনের ফলেই বিজেপি সরকার গঠন করতে পেরেছে—এটা সবার জানা।”

মথা নেতৃত্ব দাবি করেছে—রাজ্যের পাহাড়ি অঞ্চলের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত এখন মথার হাতেই, এবং এডিসি নির্বাচন সামনে রেখে দল আরও বিস্তৃত কর্মসূচি ঘোষণা করবে।

দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে—আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই *চৈলেংটা এলাকায়* একটি *বৃহৎ যোগদান সভা* আয়োজন করা হবে, যেখানে আরও বড় সংখ্যক কর্মী–সমর্থকের দলবদল ঘটতে পারে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

Share This Article
Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *