সাংবাদিকরা হ্যলো গাইজ হায় গাইজ করে না সাংবাদিকরা সমাজের উন্নয়নে এগিয়ে আসে. তার দৃষ্টান্ত কালকের ঘটনা ।আগরতলার প্রোমোফেস্টে শুক্রবার রাতে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনা সাংবাদিকদের সামাজিক দায়িত্ববোধ ও মানবিক ভূমিকার স্পষ্ট দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে। অনুষ্ঠানের অতিরিক্ত ভিড়ের মধ্যে মিডিয়া সেন্টার সংলগ্ন এলাকায় হঠাৎ এক তরুণী অজ্ঞান হয়ে পড়েন। সঙ্গে থাকা পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং আশপাশের লোকজনের কাছে সাহায্য চান।
এমন পরিস্থিতিতে সেখানে উপস্থিত সাংবাদিকরাই প্রথম এগিয়ে আসেন। কোনো বিলম্ব না করে তাঁরা তরুণীকে সামলে প্রাথমিকভাবে সহায়তা করেন এবং দ্রুত চিকিৎসা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে উদ্যোগী হন। ওই সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত দু’জন পুলিশ কনস্টেবল সাংবাদিকদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে সহায়তায় এগিয়ে আসেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, আশপাশে বহু মানুষ উপস্থিত থাকলেও অনেকেই কার্যকরভাবে এগিয়ে আসেননি। তবে সাংবাদিক ও দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় অজ্ঞান তরুণীকে দ্রুত একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে পাঠানো সম্ভব হয়।
এই ঘটনায় একদিকে যেমন কিছু মানুষের নিষ্ক্রিয়তার ছবি সামনে এসেছে, অন্যদিকে সাংবাদিকদের মানবিক ও সামাজিক দায়িত্ববোধ আবারও প্রমাণিত হয়েছে। পেশাগত কাজের বাইরে গিয়েও সংকটের মুহূর্তে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো যে সাংবাদিকতার অঙ্গ, তা এই ঘটনায় স্পষ্ট।
সামাজিক উন্নয়ন ও নাগরিক দায়িত্ব পালনে সাংবাদিকদের ভূমিকা যে কেবল খবর পরিবেশনেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং বাস্তব ক্ষেত্রেও কার্যকর—এই ঘটনা তারই প্রমাণ বলে মত সংশ্লিষ্ট মহলের।