শনিবার রানাঘাটের তাহেরপুরে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সভা ঘিরে তৈরি হয় উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি। খারাপ আবহাওয়ার কারণে সভাস্থলে পৌঁছাতে না পারলেও টেলিফোনের মাধ্যমে জনসভায় বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে বিহারের জনাদেশ, গঙ্গার উপমা এবং পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার গঠনের দাবি। তবে এই সভার দিনেই ঘটে যায় একের পর এক অঘটন—যার জেরে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
বিস্তারিত থাকছে প্যাকেজে।শনিবার দুপুর বারোটায় রানাঘাটের তাহেরপুরে জনসভায় উপস্থিত থাকার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। কিন্তু খারাপ আবহাওয়া ও ঘন কুয়াশার কারণে তাহেরপুরে নামতে পারেনি তাঁর হেলিকপ্টার। নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে তাঁকে দমদম বিমানবন্দরে ফিরিয়ে আনা হয়।
এরপর টেলিফোনের মাধ্যমেই সভায় বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী। বক্তব্যের শুরুতেই ‘জয় নিতাই’ বলে সভায় অনুপস্থিত থাকার জন্য ক্ষমা চান তিনি। মোদি বলেন, গঙ্গা যেমন বিহার থেকে বাংলায় প্রবাহিত হয়েছে, তেমনই বিহারের জনাদেশে এনডিএ সরকার গঠিত হয়েছে এবং সেই ধারাতেই পশ্চিমবঙ্গেও বিজেপি সরকার গঠিত হবে।
তিনি জিএসটি সংক্রান্ত পদক্ষেপ, রাজ্যের দুটি বড় সড়ক প্রকল্প এবং সংযোগ বৃদ্ধির প্রসঙ্গ তোলেন। পাশাপাশি তৃণমূল সরকারকে ‘মহাজঙ্গলরাজ’ বলে কটাক্ষ করে রানাঘাটবাসীর কাছে বিজেপিকে একবার সুযোগ দেওয়ার আবেদন জানান।উল্লেখযোগ্যভাবে, এই সভাকে ঘিরেই সকাল থেকে উত্তেজনা ছড়ায় রাজ্য জুড়ে।
সভায় যোগ দিতে গিয়ে কৃষ্ণনগর লোকালের ধাক্কায় প্রাণ হারান চার জন বিজেপি কর্মী। সেই মর্মান্তিক ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই আবহাওয়ার বাধায় সভাস্থলে পৌঁছাতে ব্যর্থ হন প্রধানমন্ত্রী।সব মিলিয়ে, তাহেরপুরের সভা রাজনৈতিক বার্তার পাশাপাশি একাধিক অঘটনের জন্যই বিশেষভাবে নজর কাড়ে।